কুষ্টিয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক আটক, গণধোলাইয়ের পর পুলিশের হাতে সোপর্দ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার সদর উপজেলায় একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ ফরিদ হোসেন (৩৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাঁকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের কাবিল মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক ফরিদ হোসেন হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের নদীরকূল মাঠপাড়া এলাকার মৃত বুড়ো মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কাবিল মোড় এলাকায় ফরিদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করেন। পরে তাঁর দেহ তল্লাশি চালিয়ে একটি রিভলবার ও ছয়টি গুলি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে মারধর করে।
খবর পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরিদকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরে আহত অবস্থায় তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, ফরিদ কথিত ‘শিপন বাহিনী’র সক্রিয় সদস্য। তাঁদের অভিযোগ, তাঁর কাছে আরও অবৈধ অস্ত্র থাকতে পারে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, “একটি রিভলবার ও ছয়টি গুলিসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয়দের মারধরে আহত হওয়ায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।




