গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:
নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গজনাইপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা হিসেবে পরিচিত হোসাইন আহমেদ (২৬)-এর বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, দেবপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দেবপাড়া গ্রামের এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে হোসাইন আহমেদের পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে ওই নারীকে বিরক্ত ও উত্যক্ত করে আসছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত সোমবার গভীর রাতে হোসাইন আহমেদ ভুক্তভোগীর পৈত্রিক বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে তাঁর বাবা-মা ছুটে এসে অভিযুক্তকে হাতে-নাতে আটক করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে নবীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
পরদিন মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ হোসাইন আহমেদকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হোসাইন আহমেদ গজনাইপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী, নবীগঞ্জ উপজেলা তারেক পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক, মুশহাদা সংগঠনের সদস্য সচিব এবং দিনারপুর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (ডিডিএ)-এর সদস্য পরিচয় ব্যবহার করে আসছিলেন।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, অভিযোগগুলো বর্তমানে মামলার এজাহারে উল্লিখিত দাবি। তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।




