ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

ছেলেই আমার ডিপিএস’, বললেন পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হওয়া শামীমের বাবা-

HURMAT ALI বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ:
ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করা মো. শামীম শাহরিয়ার ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষায় পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। তবে অজ্ঞাত কারণে সরকারি গেজেটে তাঁর নাম প্রকাশিত হয়নি। এ ঘটনায় তাঁর পরিবার বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করলেও শামীম বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার নলপুকুরিয়া গ্রামে শামীমের বাড়ি। তাঁর বাবা মো. হাতেম আলী একজন কৃষক এবং মা আসমা বেগম গৃহিণী। দুই ভাই–বোনের মধ্যে শামীম বড়। গ্রামের ধোপাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। পরে রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ২০২০ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন।
শামীমের বাবা হাতেম আলী বলেন, “ছেলেই আমার ডিপিএস। সংসারের উন্নতির কথা ভেবে ঘরবাড়ির দিকে তেমন নজর দিতে পারিনি। এখন ছেলের এমন সাফল্যের পরও যদি গেজেটে নাম না আসে, তখন কী বলব বুঝে উঠতে পারি না।”
শামীমের পরিবার জানায়, ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তাঁর প্রবল আগ্রহ ছিল। তাঁর ছোট চাচা হাফিজুর রহমান ১৯৯৫ সালে এসএসসিতে বোর্ডে স্থান অর্জন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার নেওয়ার সেই ছবি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই শামীমের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগে।
শামীম বলেন, তাঁর বাবা–মা কখনো জোর করে পড়তে বসাননি। বরং সব সময় উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই গল্প, উপন্যাস, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্পর্কিত বই পড়ার অভ্যাস ছিল। ঢাকা মেডিকেলে পড়ার সময়ও সুযোগ পেলেই বিভিন্ন বই পড়তেন এবং বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করতেন।
বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনীতি ও রাজনীতি নিয়ে প্রচুর বই পড়েন তিনি। এভাবেই ধীরে ধীরে পররাষ্ট্র ক্যাডারে কাজ করার স্বপ্ন তৈরি হয় তাঁর।
তবে পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হওয়া সত্ত্বেও গেজেটে নাম প্রকাশ না হওয়ায় শামীম হতাশ নন। তিনি বলেন, “সফলতা কোনো গন্তব্য নয়, এটি একটি যাত্রা। শতভাগ চেষ্টা করার পরও যদি কাঙ্ক্ষিত ফল না পাই, তবুও সেই পথচলায় অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়।”
শামীমের এই মানসিকতা ও সংগ্রামের গল্প অনেক তরুণের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তাঁর পরিবার ও পরিচিতজনরা।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।