ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

২০০ টাকার ধারের জেরে দিনমজুরকে হত্যা, আদালতে জয়নালের স্বীকারোক্তি

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

খুলনা প্রতিনিধি :

  খুলনায় মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। আদালত তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার মহানগরীর হরিণটানা থানার কৈয়াবাজার এলাকা থেকে জয়নালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার জগদীশকাটি গ্রামের কাশেম গাইনের ছেলে। নিহত ডালিম গাজীও পেশায় দিনমজুর ছিলেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হরিণটানা থানার এসআই বদিউর রহমান জানান, ঘটনার দুই দিন আগে ডালিম গাজী জয়নালের কাছ থেকে ২০০ টাকা ধার নেন। পরে সেই টাকা ফেরত চাইলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ মে রাতে ডালিম ও জয়নাল জয়খালী বায়তুল মামুর মসজিদের বারান্দায় ঘুমাতে যান। সেখানে আবারও ধারের টাকা নিয়ে তর্ক হয়। রাতের শেষ দিকে জয়নাল ঘুমন্ত ডালিমের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে তাঁর কাছে থাকা আনুমানিক তিন থেকে চার হাজার টাকা নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরদিন সকালে মসজিদের বারান্দা থেকে ডালিম গাজীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী না থাকায় মামলাটির তদন্তে শুরুতে বেশ বেগ পেতে হয় পুলিশকে। তদন্তের একপর্যায়ে বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার আগের দিন ডালিমের সঙ্গে জয়নালকে দেখা যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হলেও দীর্ঘদিন অবস্থান জানা যাচ্ছিল না।
হত্যাকাণ্ডের পর জয়নাল খুলনার শ্রমবাজারগুলো এড়িয়ে বাগেরহাট, ফকিরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থেকে দিনমজুরের কাজ করছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছদ্মবেশে কৈয়াবাজারে কাজ খুঁজতে এলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করার পর জয়নাল স্বেচ্ছায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে এ ঘটনায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।