ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

ঈদযাত্রায় ১৩ দিনে ২৮১ জনের মৃত্যু: সড়কে ফের ভয়াবহ চিত্র

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement


নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঈদুল আজহার আগে ও পরে মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে দেশের সড়ক, নৌ ও রেলপথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ২৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরও ৮৩৭ জন। ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে যাত্রীচাপ বাড়লেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা ও বেপরোয়া যান চলাচলের কারণে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় Road Safety Foundation।
সড়ক দুর্ঘটনাই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটিয়েছে
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় শুধু সড়কেই প্রাণ হারান শত শত মানুষ। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা ঈদ মৌসুমে সড়ক নিরাপত্তার দুর্বল চিত্রকে আরও স্পষ্ট করে।
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু
দুর্ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে আবারও উঠে এসেছে মোটরসাইকেল। এই সময়ে ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১২৪ জন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেপরোয়া গতি, হেলমেট না ব্যবহার এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা এই মৃত্যুর হার বাড়িয়েছে।
পথচারী ও পেশাজীবীরাও ঝুঁকিতে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে ৩৭ জন পথচারী নিহত হয়েছেন এবং চালক ও সহকারীদের মধ্যে মারা গেছেন ৩৩ জন। এতে বোঝা যায়, দুর্ঘটনা শুধু যাত্রী নয়, সড়কে থাকা সব শ্রেণির মানুষকেই ঝুঁকিতে ফেলছে।
নৌ ও রেলপথেও দুর্ঘটনা
সড়কের পাশাপাশি নৌ ও রেলপথেও দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে ১৩টি নৌ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হন। অন্যদিকে ২২টি রেল দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছেন।
যানবাহনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
এই ১৩ দিনে মোট ৫০৭টি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বাস, ট্রাক, থ্রি-হুইলার, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রয়েছে, যা পরিবহন খাতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির ইঙ্গিত দেয়।
উদ্বেগ ও করণীয়
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঈদকেন্দ্রিক অতিরিক্ত যাত্রীচাপ, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং চালকদের অসচেতনতা এই দুর্ঘটনার মূল কারণ। তারা কঠোর ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, নিয়মিত নজরদারি ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন।
 

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।