এক্সপ্রেসওয়ে নাকি মৃত্যুফাঁদ? চার দিনে প্রাণ গেল আরও দুইজনের
ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে যেন ধীরে ধীরে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হচ্ছে। একের পর এক একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে, মানুষ মরছে, কিন্তু দৃশ্যত কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। এবার ফরিদপুরের ভাঙ্গায় চলন্ত ট্রাকের পেছনে আরেক ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন আরও দুইজন।
সোমবার ভোরে আতাদি ফ্লাইওভার এলাকায় গাছের চারাবোঝাই একটি ট্রাকের পেছনে দ্রুতগতির মাছবাহী ট্রাক সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মাছবাহী ট্রাকটি উল্টে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান দুজন। ধারণা করা হচ্ছে, তারা ট্রাকের চালক ও সহকারী।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো— গত চার দিনেই একই এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা অংশে একই ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ছয়জনের। বৃহস্পতিবার কাভার্ড ভ্যান দুর্ঘটনায় নিহত হন দুজন, শনিবার বাসের ধাক্কায় মারা যান ট্রাকচালক ও তার বাবা, আর আজ আবারও দুই প্রাণ ঝরে গেল।
প্রশ্ন হচ্ছে, এত দুর্ঘটনার পরও কেন থামছে না বেপরোয়া গতি? কোথায় হাইওয়ে পুলিশের নজরদারি? চালকদের বিশ্রাম, গতি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তব প্রয়োগ কি আদৌ হচ্ছে?
এক্সপ্রেসওয়ে মানুষের সময় বাঁচানোর জন্য তৈরি হয়েছিল, কিন্তু এখন তা অনেক পরিবারের জন্য স্বজন হারানোর অভিশাপে পরিণত হচ্ছে। শুধু দুর্ঘটনার পর লাশ উদ্ধার আর মামলা নয়— এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এই মৃত্যুমিছিল আরও দীর্ঘ হবে।




