বাংলাদেশে ১ দিনে সাত স্থানে ৭ খুন
দেশের বিভিন্ন জেলায় পৃথক ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, সাভার, শেরপুর, ঝিনাইদহ, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নাটোরে সংঘটিত এসব ঘটনায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ফারুক হোসেন (২৭) নামে এক নির্মাণশ্রমিককে প্রকাশ্যে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নাহিয়ান রবিন নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে হামলা চালায়। রবিন স্থানীয় সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
সাভারে নবগঠিত পৌর ছাত্রদলের নেতা রনি ইসলামের বিরুদ্ধে স্ত্রী রিয়া মনিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তালাবদ্ধ একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।
শেরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত আবু সাইফ বাবু (১৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৯ মে তার ওপর হামলা হয়েছিল।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার লাঠির আঘাতে নিয়ামত আলী (৪৫) নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি উপজেলার কামালহাট গ্রামে ঘটে।
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় রেজিয়া বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে। উপজেলার গালা ইউনিয়নের মধ্য ধুসুরিয়া গ্রামে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে মাছ চুরিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে রনি (২৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশাল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
এদিকে নাটোরের সিংড়ায় নিখোঁজের ১৫ দিন পর মারিয়া বেগম শরিফা (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পৃথক এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কয়েকটি ঘটনায় মামলা দায়ের ও সন্দেহভাজনদের শনাক্তের কাজ চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া এসব হত্যাকাণ্ড আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।




