ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার, তবে দেশে ফেরা এখনো অনিশ্চিত—কারণ কী?

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

ডেস্ক রিপোর্ট :

 দুবাইয়ে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার হয়েছেন। এ ঘটনায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা সহজ নয় বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।
সূত্রগুলো বলছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ মূলত কোনো ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ব্যবস্থা। তবে এই নোটিশের ভিত্তিতে গ্রেফতার হলেও কাউকে সরাসরি দেশে ফেরানো যায় না। প্রত্যর্পণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দেশের আদালত, আইন এবং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে।
বর্তমানে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এর জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও তদন্ত সংস্থাগুলোর নথিপত্র প্রস্তুত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠানো হবে।
তবে এই প্রক্রিয়ায় একাধিক জটিলতা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকা, মামলার প্রমাণ আন্তর্জাতিক মানে উপস্থাপন করার প্রয়োজনীয়তা এবং পাসপোর্ট ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলো বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু গ্রেফতারই যথেষ্ট নয়; প্রত্যর্পণের জন্য শক্তিশালী প্রমাণ, যথাযথ আইনি কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। ফলে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় নিতে পারে।
এর আগে বাংলাদেশ ইন্টারপোলের মাধ্যমে কিছু পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হলেও, সব ক্ষেত্রে সফল হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে পরিচয়, নাগরিকত্ব ও আইনি জটিলতার কারণে প্রত্যর্পণ আটকে গেছে।
এদিকে সরকারি সূত্রগুলো বলছে, এখন মূল লক্ষ্য হলো দ্রুত নথিপত্র প্রস্তুত করে কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব ধাপ সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।
সব মিলিয়ে বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারকে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত ও কূটনৈতিক-আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।