ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

আবারও ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি: ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, চাপে সাধারণ মানুষ

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে মূল্যস্ফীতি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। ফলে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে।
অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন চাপের কারণে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই পণ্যের দাম বেড়েছে। এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোও ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপের মুখে পড়েছে।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, শাকসবজি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে। এপ্রিল মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ০ দশমিক ১৪ শতাংশ। পরিবহন, বাসাভাড়া, জ্বালানি ও অন্যান্য সেবার ব্যয় বৃদ্ধি এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
গ্রাম ও শহর—উভয় এলাকাতেই মূল্যস্ফীতির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ।
এদিকে মে মাসে জাতীয় গড় মজুরি হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। তবে এই বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে কম হওয়ায় সাধারণ মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। অর্থাৎ আয় কিছুটা বাড়লেও বাজারে গিয়ে আগের তুলনায় কম পণ্য কেনা সম্ভব হচ্ছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদার, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। অন্যথায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়তে পারে এবং অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।