ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

রোনালদোর জবাব মাঠেই, সমালোচকদের উদ্দেশে ‘আমি ফিরে এসেছি’

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

ক্রীড়া ডেস্ক :

 ২০২৬ বিশ্বকাপের শুরুটা স্বপ্নের মতো হয়নি। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে না পারায় সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় পর্তুগালের অধিনায়ক Cristiano Ronaldo–এর ওপর। অনেকেই বলতে শুরু করেছিলেন, ৪১ বছর বয়সী এই তারকার সময় শেষ, আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। তবে সমালোচকদের জবাব দিতে রোনালদো বেছে নিলেন তাঁর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র—গোল।
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুর্দান্ত ছন্দে দেখা যায় রোনালদোকে। জোড়া গোল করে তিনি পর্তুগালকে ৫–০ ব্যবধানে বড় জয় এনে দেন। ম্যাচ শেষে মাঠের ভেতরে থাকা ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলে ওঠেন, “আমি ফিরে এসেছি।”
পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই উদযাপনের কারণও ব্যাখ্যা করেন পর্তুগিজ মহাতারকা। তাঁর ভাষায়, “যাতে তারা ভুলে না যায়।” প্রথম ম্যাচের পর যেভাবে সমালোচনা করা হয়েছিল, সেটিরই জবাব দিয়েছেন মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে।
এক প্রশ্নের জবাবে রোনালদো বলেন, সমালোচনার সেরা উত্তর সব সময় মাঠেই দেওয়া উচিত। তিনি সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “সব সময়ই।”
গত এক সপ্তাহ তাঁর জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। নিজের ফর্ম, একাদশে থাকা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সেই সময়ের মানসিক চাপের কথা স্বীকার করে রোনালদো বলেন, “এটি ছিল একটি অন্ধকার সপ্তাহ। অনেকের কাছে মনে হয়েছিল আমি যেন ইতোমধ্যেই ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছি। কিন্তু আমি কখনো হাল ছাড়ি না। আমি কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি। সময়টা কঠিন ছিল, তবে আমরা আবার ফিরে এসেছি।”
এই ম্যাচে গোল করে রোনালদো আরও একটি ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েছেন। ফুটবল ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড এখন তাঁর দখলে। একই সঙ্গে তিনি কিংবদন্তি Eusébio–কে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১০।
হিউস্টনের মাঠে এই পারফরম্যান্স শুধু একটি জয় নয়, বরং সমালোচকদের উদ্দেশে একটি শক্ত বার্তা। বয়স নিয়ে যত প্রশ্নই উঠুক, রোনালদো দেখিয়ে দিলেন—মহান খেলোয়াড়দের কখনোই এত সহজে শেষ বলে দেওয়া যায় না। মাঠে সুযোগ পেলে তিনি এখনো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন, আর সেই কারণেই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় নাম হয়ে আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।