ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর

নেতৃত্বের চাপ আমাকে ভেতর থেকে শেষ করে দিচ্ছিল: বিরাট কোহলি

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement


২০২২ সালের জানুয়ারিতে ভারতের টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন ক্রিকেটভক্তরা। প্রায় সাড়ে চার বছর পর সেই সিদ্ধান্তের পেছনের কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরলেন ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক। কোহলি জানিয়েছেন, নেতৃত্বের বাড়তি চাপ ধীরে ধীরে তাঁকে মানসিকভাবে নিঃশেষ করে দিচ্ছিল।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে মহেন্দ্র সিং ধোনি টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর ভারতের টেস্ট দলের পূর্ণকালীন অধিনায়ক হন বিরাট কোহলি। তাঁর নেতৃত্বে ভারত ৬৮টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে ৪০টিতেই জয় পেয়েছে দল। ভারতের ইতিহাসের অন্যতম সফল টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁকে। এর আগে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বও ছেড়েছিলেন কোহলি। পরে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে।
সম্প্রতি আরসিবি ইনোভেশন ল্যাবের ইন্ডিয়ান স্পোর্টস সামিটে নিজের অধিনায়কত্বের সময়ের মানসিক চাপ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন কোহলি। তিনি বলেন,
“আমি এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলাম, যেখানে ব্যাটিং ও নেতৃত্ব—দুই ক্ষেত্রেই আমিই হয়ে উঠেছিলাম মূল কেন্দ্রবিন্দু। ভারতীয় ক্রিকেটকে শীর্ষে রাখার তাড়না এতটাই বেশি ছিল যে বুঝতেই পারিনি, এই দায়িত্বগুলো আমার জীবনে কতটা চাপ তৈরি করছে। অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময় আমি পুরোপুরি নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিলাম।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে প্রত্যাশার চাপ সামলানোও তাঁর জন্য কঠিন হয়ে উঠেছিল।
নিজের নেতৃত্বের সময় ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ইতিবাচক রাখতে সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রী ও টিম ম্যানেজমেন্টের অবদানের কথাও স্মরণ করেন কোহলি। তাঁর ভাষায়,
“আমার লক্ষ্য ছিল দলকে নিরাপদ অনুভব করানো। যেন ড্রেসিংরুমে কোনো অনিরাপত্তা না থাকে। রবি শাস্ত্রী ও পুরো সাপোর্ট স্টাফ এ ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন। তবে পারফরম্যান্স যখন দীর্ঘ সময় একই পর্যায়ে থাকে না, তখন দায়িত্বের চাপ আরও বেশি অনুভূত হয়।”
অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করলেও পরে আবার ক্রিকেটের আনন্দ ফিরে পেয়েছিলেন বলে জানান কোহলি। এ জন্য ভারতের সাবেক কোচ রাহুল দ্রাবিড় ও ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
কোহলি বলেন,
“অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর আমি নিজেকে আরও খুলে দিতে শুরু করি। রাহুল ভাই ও বিক্রম রাঠোরের সঙ্গে অনেক বেশি কথা বলেছি। তাঁরা আমাকে বুঝতে সাহায্য করেছেন, আমি এখন পর্যন্ত কী অর্জন করেছি। তাঁদের জন্যই আবার ক্রিকেট উপভোগ করতে পেরেছি।”

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।