ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর

এক দশক পর স্বামীর হত্যা মামলায় খালাস পেলেন ফাতিহা মাশকুরা

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

স্বামী ইব্রাহিম আবু খলিল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফাতিহা মাশকুরাকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের পর বুধবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন। এর ফলে বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল হয়ে যায়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১৮ মে সিলেট নগরের সওদাগরটুলায় নিজ বাসার শোয়ার ঘর থেকে তাবলিগ জামাতের ধোপাদিঘিরপাড় আঞ্চলিক শাখার আমির ইব্রাহিম আবু খলিলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরপরই তাঁর স্ত্রী ফাতিহা মাশকুরাকে আটক করা হয়। পরদিন পুলিশ হত্যা মামলা দায়ের করে।
তদন্ত চলাকালে ফাতিহা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন, যেখানে তিনি স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই জবানবন্দির ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম এগিয়ে যায়।
পরে ২০১৬ সালের ৬ জুন সিলেটের একটি আদালত ফাতিহা মাশকুরাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স এবং আসামির আপিলের শুনানি একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন।
এরপর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ফাতিহা। আপিল শুনানিতে তাঁর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান যুক্তি উপস্থাপন করেন। তাঁকে সহায়তা করেন আইনজীবী কামাল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাইফুদ্দিন খালেদ।
শুনানিতে ফাতিহার আইনজীবী দাবি করেন, মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তিনি আদালতকে জানান, জবানবন্দি গ্রহণের সময় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি ছিল এবং এর আগে পুলিশ হেফাজতে রেখে একটি ভিডিও স্বীকারোক্তিও নেওয়া হয়েছিল।
এ ছাড়া ফাতিহা পরবর্তীতে তাঁর দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন বলেও আদালতে তুলে ধরা হয়। আইনজীবীর দাবি, জবানবন্দিটি স্বতঃস্ফূর্ত ও স্বপ্রণোদিত ছিল কি না, তা নিয়েও গুরুতর বিতর্ক রয়েছে।
সব পক্ষের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ফাতিহা মাশকুরার আপিল মঞ্জুর করে তাঁকে খালাস দেন। আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে প্রায় ১১ বছর ধরে চলা আলোচিত হত্যা মামলার আইনি অধ্যায়ের নতুন পরিসমাপ্তি ঘটল।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।