ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী

দীর্ঘ বিরতির পর মোসাদ্দেকের স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন: ব্যাটে-বলে বাংলাদেশের নায়ক

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

ক্রীড়া ডেস্ক :

 দীর্ঘ ১৪০৪ দিন পর ওয়ানডে একাদশে ফিরেই যেন নিজের পুরনো পরিচয় নতুন করে লিখলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। জাতীয় দলে জায়গা হারানোর অনিশ্চয়তা, সমালোচনা আর প্রতিযোগিতার চাপ—সবকিছুর ভেতর দিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে এখনও তিনি ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে দায়িত্ব নিয়ে খেলেন এই অলরাউন্ডার। চাপের পরিস্থিতিতে ধীরস্থির ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে ইনিংস গড়ার পাশাপাশি শেষ দিকে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলকে লড়াই করার মতো স্কোর এনে দেন তিনি। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৮৬ রানের ইনিংসটি পুরো ম্যাচের গতিপথই বদলে দেয়।
বাংলাদেশ দলের টপ ও মিডল অর্ডার যখন নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাচ্ছিল, তখন মোসাদ্দেক ছিলেন এক প্রান্তে স্থির দেয়ালের মতো। আবার ইনিংসের শেষ দিকে তিনি রূপ নেন কার্যকর ফিনিশারে। লেজের ব্যাটারদের সঙ্গে ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তিনি নিশ্চিত করেন যে দল সহজে গুটিয়ে যাবে না।
মোসাদ্দেকের ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতেও ছিল দৃঢ় উপস্থিতি। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩৭ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। এই উইকেটগুলোই প্রতিপক্ষের বড় জুটি ভেঙে দেয় এবং বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করে।
এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, শুধু ব্যাট বা বল নয়—দুটো দিকেই তিনি এখনো দলের জন্য কার্যকর একজন নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার।
দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও ছিল বেশ। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করলেও দলে জায়গা পাওয়া সহজ ছিল না। বিশেষ করে নির্বাচনী ভাবনায় তাকে অনেক সময় একই ধাঁচের খেলোয়াড়দের সঙ্গে তুলনা করে পিছিয়ে রাখা হয়েছিল বলে ক্রিকেট মহলে আলোচনা রয়েছে।
তবে এসব বিতর্কের জবাব তিনি দিয়েছেন মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই। ডিপিএল ও বিসিএলে ধারাবাহিক ভালো খেলার পর অবশেষে আবারও জাতীয় দলে সুযোগ পান তিনি। সুযোগ পেয়েই তা পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন এই ৩০ বছর বয়সী অলরাউন্ডার।
২০২২ সালের পর এটি ছিল তার ওয়ানডে দলে প্রত্যাবর্তন। দীর্ঘ বিরতির পর এমন আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তির খবর। তার ইনিংস ও বোলিং মিলিয়ে দল পেয়েছে ব্যাটিং গভীরতা এবং বোলিংয়ে অতিরিক্ত ভরসা।
অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স মোসাদ্দেকের ক্যারিয়ারে নতুন করে দরজা খুলে দিতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়, এই প্রত্যাবর্তন তিনি কতদূর ধরে রাখতে পারেন এবং বাংলাদেশ দলে নিজের জায়গা কতটা স্থায়ী করতে পারেন।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।