ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

দেশকে ‘বেচে’ দিলেন ইউনূস? যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ঘিরে তোলপাড়

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাঃ ইউনুস–এর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি (এআরটি)’ ঘিরে দেশজুড়ে নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। চুক্তিটির বিভিন্ন শর্ত, ভাষাগত কাঠামো এবং দুই দেশের দায়বদ্ধতার ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন করে অন্তর্বর্তী সরকার। ৩২ পৃষ্ঠার এই চুক্তিতে পারস্পরিক বাণিজ্য সুবিধার কথা বলা হলেও, সমালোচকদের দাবি—বাস্তবে এতে বাংলাদেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুবিধাই বেশি নিশ্চিত করা হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে কিছু পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ সহজ হতে পারে এবং সীমিত পরিসরে শুল্ক ছাড়ের সুযোগও তৈরি হতে পারে। তবে একই সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে বিদেশি প্রভাব বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাদের মতে, “পারস্পরিক” শব্দটি ব্যবহার করা হলেও দুই দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও বাজার কাঠামো সমান নয়।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। বিরোধী মহলের অভিযোগ, জনগণের মতামত ও জাতীয় স্বার্থের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তিতে সই করা হয়েছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে তারা “অস্বচ্ছ” বলেও মন্তব্য করেছেন।
অন্যদিকে সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করাই ছিল এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।
চুক্তির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনো চলছে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ। অর্থনীতি ও কূটনৈতিক মহলের অনেকে মনে করছেন, ভবিষ্যতে এই এআরটি চুক্তি বাংলাদেশের বাণিজ্যনীতি ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।