ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী

দক্ষিণ এশিয়ায় গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও সুশাসনের সংকট প্রায় একই রকম: জাফর আব্বাস

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সুশাসন ও রাজনৈতিক প্রভাবের সংকট প্রায় একই ধরনের বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ডন পত্রিকার সম্পাদক জাফর আব্বাস।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কাসহ এ অঞ্চলের সব দেশেই সংবাদমাধ্যম নানা ধরনের কাঠামোগত ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যে কাজ করছে।
আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’-এর শেষ দিনের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘পলিটিকো-গভর্ন্যান্স ইকোসিস্টেম অ্যান্ড ফ্রি মিডিয়া’ শীর্ষক সেশনটি সঞ্চালনা করেন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করে মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই)।
আলোচনায় জাফর আব্বাস বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দুর্নীতির ধারণা সূচক এবং সুশাসন নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা পাকিস্তানের বাস্তবতার সঙ্গেও অনেকটা মিল রয়েছে। তাঁর মতে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো একই ধরনের রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের সংবাদমাধ্যমে রাজনৈতিক সংঘাত, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং বড় শহরভিত্তিক ঘটনাগুলো বেশি গুরুত্ব পায়। কিন্তু সংখ্যালঘু, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং পিছিয়ে থাকা মানুষের সমস্যাগুলো অনেক সময় যথাযথভাবে উঠে আসে না। এই প্রবণতা শুধু পাকিস্তান নয়, ভারত ও শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও দেখা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিবিসির সাবেক এই সাংবাদিক মনে করেন, দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের নিজেদের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে ভাবা প্রয়োজন। তাঁর মতে, আত্মসমালোচনার মাধ্যমে সাংবাদিকতা আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর হতে পারে।
জাফর আব্বাস বলেন, শুধু সরকারের সমালোচনা নয়, সমাজের সামগ্রিক বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হচ্ছে সব স্তরের মানুষের কণ্ঠ তুলে ধরা এবং নীতিনির্ধারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।
তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার তুলনার প্রবণতার সমালোচনা করে বলেন, সুইডেন বা নরওয়ের মতো দেশের সঙ্গে তুলনা করে বাস্তব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব সামাজিক, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশ্বের গণতান্ত্রিক ও গণমাধ্যম কাঠামো দীর্ঘ সময়ের বিবর্তনের ফল। তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে নিজেদের বাস্তবতার আলোকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সুশাসনের কাঠামো শক্তিশালী করতে হবে।
সেশনে আরও বক্তব্য দেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, দ্য ডেইলি স্টারের কনসালটিং এডিটর কামাল আহমেদ, সাংবাদিক আনোয়ার শাকিল এবং সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।