বিসিবি নির্বাচনে বাড়ছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়, সরে দাঁড়ালেন তিন প্রার্থী
ডেস্ক রিপোর্ট :
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বহুল আলোচিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ জুন। নির্বাচনকে ঘিরে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে উত্তেজনা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তিন প্রার্থীর নাম প্রত্যাহারে আরও বাড়ছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সংখ্যা। আজ চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর শরীফুল ইসলাম তপু, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের কাউন্সিলর মোহাম্মদ লুৎফর রহমান এবং ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্সের মোহাম্মদ মাহমুদ-উর-রহমান। তাঁদের সরে যাওয়ার ফলে কয়েকটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমে গেছে।
এবার বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে গোপালগঞ্জের জসিম উদ্দিন খসরুর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। পরে বৈধ থাকা ৩২ প্রার্থীর মধ্য থেকে তিনজন নাম প্রত্যাহার করায় নির্বাচনী লড়াই আরও সীমিত হয়ে আসে।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা, ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য, মন্ত্রীদের স্বজন এবং বিএনপির নেতারাও। ফলে ক্রিকেট প্রশাসনের এই নির্বাচন রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
তিন ক্যাটাগরি মিলিয়ে ইতিমধ্যে আটজন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন। আঞ্চলিক ও জেলা ক্রিকেটভিত্তিক ক্যাটাগরি-১ থেকে ১০টি পদের মধ্যে সাতটিতেই কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকছে না। এই ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রাম ও ঢাকা অঞ্চল থেকে দুজন করে এবং রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট অঞ্চল থেকে একজন করে পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন।
অন্যদিকে ক্যাটাগরি-৩ থেকেও একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন। তিনি হলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল এডুকেশন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি বর্তমানে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি Tamim Iqbal-এর ফুফা হিসেবেও পরিচিত।
তবে নির্বাচন পুরোপুরি একপেশে হচ্ছে না। সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে ক্যাটাগরি-২ বা ঢাকা মহানগর ক্লাব ক্যাটাগরিতে। এখানে ১৬ জন প্রার্থী থেকে নির্বাচিত হবেন ১২ জন পরিচালক। এছাড়া খুলনা ও বরিশাল বিভাগেও লড়াই হচ্ছে। বরিশাল বিভাগে একটি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই প্রার্থী এবং খুলনায় দুই পদের বিপরীতে লড়বেন তিনজন।
উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল Aminul Islam Bulbul-এর নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির সভাপতি করা হয় Tamim Iqbal-কে। ১১ সদস্যের ওই অ্যাডহক কমিটির সাতজন সদস্য এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।




