ব্রেকিং নিউজ
টানা তিন ম্যাচে তিনবারই ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস ভিনির তিন ম্যাচেই গোল : ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি? ৩২ মাস পর ব্রাজিল জার্সিতে নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, হার্ড রকে উৎসব ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল, নেইমারের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন; স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকেরা ‘আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা’ যুবদল নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ২ হাজার ৩২৩ মামলা, শীর্ষে মিরপুর চীন সফরে তারেক রহমানের সফরে যোগ হচ্ছেন দুই মন্ত্রী শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি কর্মীরা

আমিও তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব:এআই নিয়ে একে আজাদ

Gazi Tushar Ahamed বাংলাদেশ
AdvertisementAdvertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের প্রেক্ষাপটে উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে শিল্প খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ। তবে এআই ব্যবহারের ফলে কর্মসংস্থানের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন তিনি।
রোববার (৭ জুন) ‘একাত্তর বিজনেস’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এ কে আজাদ বলেন, বিশ্ববাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতারা উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তারা পণ্যের দাম বাড়াতে রাজি নয়। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে এগোতে হচ্ছে।
তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ৭৫ হাজার কর্মী কাজ করছেন। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় এআই ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে জনবল কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এতে বিপুলসংখ্যক দক্ষ কর্মীর কর্মসংস্থান সংকটে পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ কে আজাদের মতে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের এই সময়ে সরকারের দূরদর্শী নীতি গ্রহণ জরুরি। কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকিতে থাকা শ্রমিকদের পুনঃপ্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, উচ্চ সুদের হার এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান চাপের মুখে রয়েছে। অনেক কারখানা ব্যয় সামাল দিতে না পেরে কার্যক্রম সীমিত করছে বা বন্ধ করে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিল্পখাতকে আরও দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, উচ্চ সুদের হারে ঋণ নিয়ে শিল্পকারখানা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে ঋণের সুদের হার কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন, যাতে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং বিনিয়োগ উৎসাহিত হয়।
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের গুরুত্ব উল্লেখ করে এ শিল্পোদ্যোক্তা বলেন, শুধু রপ্তানিমুখী শিল্প নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকেও আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশের ভোক্তা চাহিদা পূরণে স্থানীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি আরও গতিশীল হবে।
তিনি মনে করেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিল্পখাতকে আধুনিকায়ন করতে হবে, তবে একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সুরক্ষা ও নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরির বিষয়টিও সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

AdvertisementAdvertisement

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।